যৌন সচেতনতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
যৌন সচেতনতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ৩ এপ্রিল, ২০১৮

মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুনের আসক্তি দূর করার চিকিৎসা আছে - জানেন কি ?

মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুনের আসক্তি দূর করার চিকিৎসা আছে - এই সত্যটি এই আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞানের যুগেও অনেক শিক্ষিত তরুণরাও জানে না। এর প্রধান কারণ হলো তরুণরা যখন এই সমস্যায় আসক্ত হয়ে পড়ে অর্থাৎ এটি না করে একদিনও থাকতে পারে না তখন এর ট্ৰিটমেন্টের জন্য তারা এলোপ্যাথি ডাক্তারদের কাছে যায়। অথচ পুরু এলোপ্যাথি চিকিৎসা শাস্ত্রে স্ত্রীরোগ এবং পুরুষের যৌনরোগেরই কার্যকর কোন চিকিৎসা নাই। আর এই কারণে এই সকল সমস্যায় স্বয়ং এলোপ্যাথি ডাক্তারগণও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিয়ে থাকে। কিন্তু তাদের কাছে সেই একই রোগ নিয়ে গেলে তারা কয়েকযুগ আগের মেডিক্যাল থিওরি (বর্তমানে অকার্যকর) শুনিয়ে রোগীদের বুঝিয়ে টাকাটা ঠিকই নিয়ে নেয়। কিন্তু সমস্যাটি নির্মূলের জন্য আদৌ কোন কার্যকর ট্রিটমেন্ট দিতে পারে না।

এলোপ্যাথিতে মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুন আসক্তির চিকিৎসা 

মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুনের আসক্তি নিয়ে যখন কোন তরুণ এলোপ্যাথি ডাক্তারদের কাছে যায় তখন তারা সরাসরি এর চিকিৎসা দেয় - আপনি বিয়ে করুন অথবা এক গাদা অকার্যকর নিয়ম কানুন ধরিয়ে দিয়ে বলে এই গুলি মেনে চলুন, অথচ  হস্তমৈথুনের আসক্তির অবস্থায় এই সব নিয়ম কানুন প্রায় সবই অকার্যকর সেটা তারা নিজেরাই জানে। অনেক ডাক্তার এই যুগেও এটিকে সরাসরি মানুসিক রোগ বলেই চালিয়ে দেয়। অথচ শরীরে যেকোন রোগ হলে সেটা মন মানুষিকতার উপর প্রভাব ফেলবে সেটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। যেমন ধরুন আপনার জ্বর আসল, জ্বর আসলে আপনার মন মানুষিকতাও ভালো থাকবে না এটাই স্বাভাবিক কিন্তু জ্বর তো আর মানুষিক রোগ নয়।
 মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুনের আসক্তি দূর করার চিকিৎসা আছে - জানেন কি ?
এলোপ্যাথি ডাক্তাররা যখন দেখলো সারা বিশ্বে কোটি কোটি তরুণ শুধুমাত্র হোমিও চিকিৎসার মাধ্যমেই মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুনের আসক্তি থেকে মুক্তি পাচ্ছে এখন তারা বলে বিয়ে করে ফেলুন। বাহ্ কি চমৎকার চিকিৎসা !! এখন এলোপ্যাথি ডাক্তারেরদের সেই সব ভুয়া কথাবার্তা জনগণ আর খায় না। কারণ মানুষ বাস্তব প্রমানকেই গুরুত্ব দিবে এটাই স্বাভাবিক।

হোমিওপ্যাথিতে মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুন আসক্তির চিকিৎসা 

আপনি এই আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞানের যুগেও দেখবেন - অনেক কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষিত নামধারী কিছু মূর্খ রয়েছে যারা ইন্টারনেট সার্চ করে এলোপ্যাথদের আদি যুগের কিছু থিওরী টেনে বলবে মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুনের আসক্তি দূর করার কোন ঔষধ নেই। এটা একটা পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছুই নয়।
আধুনিক হোমিওপ্যাথির ডাক্তার হাসান-ই প্রায় ২০ হাজারের বেশি  তরুণদের প্রপার ট্রিটমেন্ট দিয়ে তাদের মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুনের আসক্তি দূর করেছেন। যদি ঔষধ না থাকতো তাহলে তিনি সেটা করলেন কি করে ?
একটা বিষয় আমাদের ভুলে গেলে চলবে না - আল্লাহ পাক যেমন রোগ দিয়েছে তার চিকিৎসাও দিয়ে রেখেছেন। হয়তো সেটা, এলোপ্যাথিতে না থাকলে হোমিওপ্যাথিতে আছে বা আয়ুর্বেদ বা অন্য কোন চিকিৎসা শাস্ত্রে রয়েছে। কিন্তু আপনি একটি ছাড়া বাকিগুলি বিশ্বাসই করলেন না - এটা আপনার দোষ, আল্লাহ পাকের কোন দোষ নেই। আর শেষ বিচারের দিন আল্লাহকে কেউ এই কারণেই দোষ দিতে পারবে না।

এদেশে চিকিৎসার কিছু বাস্তবরূপ 

আরেকটি বিষয় হলো - কিছু দিন আগে দেশের একজন নামকরা ডার্মাটোলোজিস্টকে বলতে শুনেছি যে - এই দেশের অনেক বড় বড় হাসপাতালে চাকরি করেন এমন অনেক বড় মাপের ডাক্তারদের ৬০% ই নাকি হাতুড়ে চিকিৎসক। অর্থাৎ নানা প্রভাব খাটিয়ে চাকরী নেয় এবং প্রমোশন নেয় কিন্তু রোগীকে যেখানে যে চিকিৎসা দেয়া দরকার সেখানে সেই প্রপার ট্রিটমেন্টটা তারা দিতে পারে না। তাই রোগীরা সুস্থ না হয়ে একবার এই ডাক্তার আরেকবার ঐ ডাক্তার এই ভাবে ঘুরতে ঘুরতে একসময় মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে এসে একজন হোমিও চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হন অথবা চিকিৎসা নিতে বিদেশ চলে যান । যাই হোক, এটা হলো এ দেশের বড় বড় এলোপ্যাথি ডাক্তারদের অবস্থা। তাহলে আরো যারা আছেন, যারা ফাঁস প্রশ্নপত্র দিয়ে মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হন এবং ঔষধ কোম্পানির তৈরী করা লেকচার শীট মুখুস্ত করে করে ডাক্তারি পাশ করেন তাদের অবস্থা কোথায় একবার ভেবে দেখুন। দেশের বাহিরে কি রোগীরা চিকিৎসা নিতে এমনি এমনি যায় ??

হোমিওতে পাশ করা আর চিকিৎসা দেয়া এক জিনিস নয়

ও হ্যা, আপনার এটাও জানা দরকার, আমাদের দেশে যেখানে এলোপ্যাথির এই অবস্থা সেখানে হোমিওপ্যাথির কি অবস্থা হতে পারে একবার ভেবে দেখুন। মেডিক্যাল কলেজ থেকে পাশ করা বহু হোমিও ডাক্তার রয়েছে যারা চিকিৎসাই দিতে জানে না। কারণ হোমিওতে পাশ করা আর চিকিৎসা দেয়া এক জিনিস নয়। অথচ হোমিওপ্যাথিই একমাত্র চিকিৎসা বিজ্ঞান যেখানে সর্বাধিক রোগের পারফেক্ট ট্রিটমেন্ট রয়েছে। রোগ যদি ভালো না হয় সেটা ডাক্তারের দোষ, ডাক্তার পরিবর্তন করুন। তবে এটাও আপনার মনে রাখা উচিত অনেক অভিজ্ঞ হোমিও ডাক্তারও যদি ১০০/২০০ টা ট্রিটমেন্ট দেয় তার ক্ষেত্রেও ২/১টি ট্রিটমেন্ট ফল করা অস্বাভাবিক কিছু নয় কারণ সে ফেরেস্তা নয় সেও মানুষ।

ভালো হোমিও ডাক্তার চিনবেন কিভাবে 

যখন কোন হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিতে যাবেন তখন আপনি যদি দেখেন সে আপনাকে হারবালদের মতো পেটেন্ট ঔষধ বা ডিব্বা, হালুয়া ধরিয়ে দিচ্ছে তখন বুঝবেন সে হোমিও ডাক্তার নামের কলঙ্ক। সে আপনাকে কিছু দিনের জন্য উপশম করতে পারবে কিন্ত স্থায়ী ভাবে আরোগ্য করতে পারবে না। গুরু হ্যানিম্যান এই প্রকারের হোমিও ডাক্তারকে জারজ বলে অভিহিত করেছেন। বাংলাদেশের অনেক হোমিও ঔষধ প্রস্তুতকারী কোম্পানি হার্বালদের সাথে প্রতিযোগিতা দিতে গিয়ে হোমিও নাম দিয়ে সেই প্রকার ঔষধ বানিয়ে চলছে। আর যে সব ডিগ্রীধারী হোমিও ডাক্তাররা চিকিত্সা দিয়ে জানে না তারাই ঐসব ঔষধ দিয়ে তাদের ফার্মেসী ভরে রাখে। তাদের পরিহার করুন। এই সকল হোমিও ডাক্তাররা মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুনের আসক্তি কেন কোন রোগেরই প্রপার ট্রিটমেন্ট দিতে জানে না। আর এ ক্ষেত্রে লোকজন ডাক্তারকে দোষ না দিয়ে উল্টো হোমিওপ্যাথিকে দোষ দেয়।

 মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুনের ক্ষতি‬

অনেক পুরুষ অতিরিক্ত হস্তমৈথূন্য জনিত কারনে তাদের লিঙ্গে দুর্বলতা অনুভব করেন। এটার প্রধান কারন অল্প বয়সে হস্তমৈথূন্য শুরু করা। যারা অল্পবয়সে হস্তমৈথূন্য করেন তারা বিয়ের পর সংসার জীবনে নানান জটিলতায় ভুগে থাকেন। এমনকি অল্পবয়সে হস্তমৈথূন্যের ফলে লিঙ্গের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যহত হয় বলে লিঙ্গের আকার ছোট থেকে যেতে পারে।

অতিরিক্ত হস্তমৈথূন্যের ফলে শক্তি হ্রাস সহ নানাবিধ শারীরিক সমস্যায় ভোগেন। তার মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হল:
  • শাররীক ব্যথা এবং মাথা ঘোরা। 
  • যৌন ক্রিয়ায় সাথে জড়িত স্নায়তন্ত্র দুর্বল করে দেয় অথবা ঠিক মত কাজ না করার পরিস্থতি সৃষ্টি করে
  • শরীরের অন্য অঙ্গ যেমন হজম প্রক্রিয়া এবং প্রসাব প্রক্রিয়ায় সমস্যা সৃষ্টি করে
  • দৃষ্টি শক্তি দুর্বল করে দেয় এবং মাথা ব্যাথা সৃষ্টি করে
  • হৃদকম্পনে দ্রুততা আসে এবং অনেকে নার্ভাস ফিল করতে পারেন
  • ব্যক্তি কোনো কঠিন শারীরিক বা মানসিক কাজ এর অসমর্থ।  তিনি সাধারণত নির্জনতায় থাকতে চেষ্টা করে এবং তার জ্ঞান বৈকল্য হয়। 
  • দ্রুত বীর্যস্থলনের প্রধান কারন অতিরিক্ত হস্তমৈথুন্য।
  • প্রায় প্রতি তিনজনের একজন পুরুষ যারা অতিরিক্ত হস্তমৈথুন্য করেন তারা নারী সঙ্গীর সাথে শারীরিক মিলনের সময় লিঙ্গথ্থান বা ইরিটিক্যাল ডিসফাংশান সমস্যায় ভোগেন। 
তাই কারো এই সমস্যা থাকলে অতি দ্রুত রেজিস্টার্ড এবং অভিজ্ঞ একজন হোমিও চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করে প্রপার ট্রিটমেন্ট নিন। দেখবেন মন থেকে এই আসক্তি দূর হয়ে গেছে এবং  মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুন সংক্রান্ত যাবতীয় কুফলও দূর হয়ে গেছে। 
বিস্তারিত

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০১৫

যৌন উত্তেজক ঔষধের মারাত্মক ক্ষতিকর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

বাংলাদেশে যে সকল ঔষধ, যৌন উত্তেজক হিসেবে লোকজন ব্যবহার করে থাকে সেগুলির অধিকাংশতেই মারাত্মক ক্ষতিকর কিছু মাদক শ্রেনীর উপাদান মিশানো হয়ে থাকে, যার কারণে যিনি এই সকল ভেজাল ঔষধ ব্যবহার করেন তিনি কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা অনুভব করে থাকেন। কিন্তু এর সুদুর প্রসারী ফলাফল মারাত্মক ভয়াবহ, যা শুনলে আপনি হয়তো ব্যবহার করা তো দুরের কথা সেগুলির দিকে ফিরেও তাকাবেন না। এই ঔষধগুলি আমাদের যুবসমাজকে তিল তিল করে ধ্বংস করে চলেছে। যারা এইগুলি কিছু দিন কন্টিনিউ করেন তারা মারাত্মক কিডনি, লিভার এবং যৌন বিকলতায় আক্রান্ত হন যা তাদেরকে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়।
যৌন উত্তেজক ঔষধের মারাত্মক ক্ষতিকর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
তাই কখনো আপনার ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ভুল করেও যৌন উত্তেজক ঔষধের দিকে হাত বাড়াবেন না। আজকাল ফেইসবুকে পর্যন্ত কিছু প্রতারক নোংরা কিছু ছবি জুড়ে দিয়ে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট এর বিজ্ঞাপন দিয়ে তরুনদের এই গুলি খেতে উত্সাহিত করছে। মনে রাখবেন এই সকল বিজ্ঞাপনে পা দিবেন তো অকালেই আপনি যৌবন হারাবেন, সাথে জীবনটাও অকালে হারাতে পারেন। আসুন আপনার পরিচিত একটি উত্তেজক ঔষধ ভায়াগ্রার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানি, যদিও এটি পুরুষের যৌন ক্ষমতায় কোনো প্রকার ভুমিকাই রাখে না, কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা সৃষ্টি করে মাত্র। কিন্তু এর রয়েছে ভয়াভহ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া। 

ভায়াগ্রার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া :- 
  • হার্ট ফেইলুর - হার্ট বিট বেড়ে গিয়ে ধমনি ফেটে যেতে পারে। অর্থাৎ আপনি মারাও যেতে পারেন ,
  • মাইগ্রেন- অস্বাভাবিক রকমের মাথাবাথা। 
  • চোখ বাঘের মত লাল হয়ে থাকা। 
  • অস্থির - বলা যেতে পারে চরম অস্থির। 
  • অনেক দিন খাওয়ার ফলে প্রস্রাবে ইনফেকশন। 
  • ফোটায় ফোটায় পস্রাব। 
  • ধিরে ধিরে যৌন বিকলাঙ্গ হয়ে যাবেন। ( চ্যালেঞ্জ )
সতর্কিকরণ :- ভায়াগ্রাসহ যাবতীয় যৌন উত্তেজক ঔষধ >>> পরিহার করুন। যৌন সমস্যা হলে আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নিন। বিজ্ঞাপনে মুগ্ধ হয়ে অথবা নিজ নির্বাচনে কখনো যৌন উত্তেজক ঔষধ খাবেন না।
বিস্তারিত

বুধবার, ৬ মে, ২০১৫

যৌন দুর্বলতা থেকে বাচতে যা কখনই করবেন না !!

আগেরকার দিনে রাস্তাঘাটে কিছু লোক কবিরাজ পরিচয় দিয়ে কোমলমতি যুবকদের বোকা বানিয়ে নানা প্রকার যৌন উত্তেজক ঔষধ বিক্রি করতো। কিন্তু এখন যুগের পরিবর্তন হয়েছে। তাই তাদের প্রতারণার ধরনও বদলেছে।

আজকাল ফেইসবুকে নানা প্রকার অশালীন ছবি দিয়ে কোমলমতি যুবকদের মনে দুর্বলতা তৈরী করে নানা প্রকার যৌন উত্তেজক ঔষধ বিক্রি করা হয়ে থাকে।
যৌন দুর্বলতা থেকে বাচতে যা কখনই করবেন না !!
ভালো করে শুনে রাখুন - এই সব মাদক শ্রেনীর যৌন উত্তেজক ঔষধ খেয়ে আপনার যৌন জীবন বিপর্যস্থ করে তুলবেন না। এই সকল ঔষধ খেতে থাকলে আপনি সাময়িক কিছুটা উত্তেজনা অনুভব করবেন ঠিকই কিন্তু কিছু দিন কন্টিনিউ করলেই বুঝতে পারবেন আপনি ধীরে ধীরে এই সকল যৌন উত্তেজক ঔষধের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছেন এবং এটা ছাড়া আপনি আর যৌন মিলন করতে পারছেন না।

শুধু তাই নয়, তখন দেখবেন আপনার শরীরে আর কোনো যৌন উত্তেজক ঔষধই কাজ করছে না, আর আপনি ধীরে ধীরে কিডনি, লিভার সহ আরো নানাবিধ শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। এই রকম ভুরি ভুরি দৃষ্টান্ত রয়েছে।

তাই লোভে পড়ে এই সকল যৌন উত্তেজক মাদক শ্রেনীর ঔষধগুলি লুকিয়ে লুকিয়ে কিনে খেয়ে খেয়ে আপনার যৌন জীবন বিপর্যস্থ করে তুলবেন না।

মনে রাখবেন পুরুষ মানুষ যৌন শক্তি >> লাভ করে দৈনন্দিন খাবার দাবার থেকেই। তাই নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার, দুধ, ডিম ইত্যাদি খাবার মেনুতে রাখুন আশা করি আপনি যৌন দুর্বলতায় ভুগবেন না।

কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় কিছু শ্রেনীর মানুষ নানা প্রকার খারাপ অভ্যাসের কারণে অথবা অন্য কোন রোগে আক্রান্ত হয়ে যৌন সমস্যায় ভুগে থাকে, সে ক্ষেত্রে সঠিক কারণটি নির্ণয় করে প্রপার হোমিও ট্রিটমেন্ট নিলে কিছু দিনের মধ্যেই যৌন সমস্যা আজীবনের জন্য দূর হয়ে যায়, তার জন্য বার বার ঔষধ খাওয়ার প্রয়োজন হয় না।

কিন্তু দেখা গেছে - ঐ অবস্থায় অনেকেই না বুঝে এবং প্রতারকদের পাল্লায় পড়ে যৌন উত্তেজক ঔষধ খাওয়া শুরু করে দেয় - তাতে সমস্যাটি বরং আরো জটিল আকার ধারণ করে। তাই এই সব মাদক শ্রেনীর যৌন উত্তেজক ঔষধ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন এবং যেকোনো যৌন সমস্যায় অভিজ্ঞ কোনো হোমিও ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন। কারণ একমাত্র হোমিও ট্রিটমেনটেই যৌন সমস্যা মূল থেকে দূর হয়ে যায়।
বিস্তারিত

বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০১৫

বিয়ের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলি মনে রাখা জরুরি

বলা হয়, বিয়ের বিষয়টি স্বর্গীয় এবং সেখানেই এর ফয়সালা ঘটে। এ কারণে বিয়ে নিয়ে মানুষের এত জল্পনা-কল্পনা, আনন্দ আর উত্তেজনা। কিন্তু গোটা বিশ্বে বিবাহ বিচ্ছেদের হার আশংকাজনক হারে বেড়ে গেছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। কাজেই এত আয়োজন কি সব নিরর্থক? বিশেষজ্ঞের মতে, কিছু ভুল কারণের ওপর ভিত্তি করে মানুষ বিয়ে করেন। বিয়ের পর এসব কারণের সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায় না। তখনই দাম্পত্য জীবন মানুষকে নিরাশ করে। আর তাই কাল হয়ে দাঁড়ায়। এখানে জেনে নিন, বিয়ে সম্পর্কে ১০টি ধারণার কথা যা আসলে ভুল চিন্তার সামিল।

১. আপনি হয়তো একাকী মানুষ যিনি পেশাজীবন নিয়ে দারুণ ব্যস্ত সময় কাটান। অনেকে মনে করেন, এই একঘেয়েমি অবস্থার অবসান ঘটবে যখন একজন সঙ্গী বা সঙ্গিনী পাওয়া যাবে। মূলত এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্যে বিয়ে করা হয়। বিয়ের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এটি নয়। 
বিয়ের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলি মনে রাখা জরুরি
২. কারো সঙ্গে ডেটিং দেওয়া মানেই তাকে বিয়ে করা কোনো নিয়মের মধ্যে পড়ে না। তাকে যদি ভালো নাই বাসেন, শুধু সময় কাটাতে ডেটিং দিয়েছেন, সেক্ষেত্রে বিয়ে করাটা বড় ধরনের ভুল। তাকে জীবনের আদর্শ সঙ্গী-সঙ্গিনী মনে না করা পর্যন্ত বিয়ে করা উচিত নয়। 

৩. অনেকেই মনে করেন, বয়স হয়ে যাচ্ছে দেখে বিয়ে করে ফেলা উচিত। এটা বিয়ের একমাত্র কারণ হতে পারে না। অন্যান্য বিষয় যখন আসে, তখন সব পাল্টে যায়। 

৪. দৈহিক সৌন্দর্য মুগ্ধ হয়ে বিয়ের ইচ্ছা অন্যতম ভুলের একটি। বিয়েটা কোনো মোহ নয়। শুধু মোহাচ্ছন্ন হয়ে বিয়ে করলে পরবর্তীতে মোহ কেটে যাওয়ার পর সংসারে বিতৃষ্ণা চলে আসতে পারে। 

৫. একটা সময় পর্যন্ত মানুষ একাকী থাকতে পারে। এরপর একা থাকাটা অসহনীয় হয়ে ওঠে। তখন মনে হয়, যাকে পাওয়া যাবে তাকেই বিয়ে করে ফেলতে হবে। এই উদ্দেশ্যে বিয়ে করলে শিগগিরই অস্থিরতা ভর করবে। 

৬. অনেকেই অর্থনৈতিক মুক্তির জন্যে বিয়েকে উপায় হিসাবে গ্রহণ করেন। ধনী পুরুষ বা সম্পদশালীর মেয়েকে বিয়ে করতে চান অনেকে। এখানে অর্থটাই মুখ্য থাকে। বিয়ে, আত্মিক বন্ধন, সংসার এগুলো হয়ে পড়ে মূল্যহীন। তাই এই কারণটি বিয়ের শর্ত হতে পারেন না। 

৭. সম্পর্কে জড়ানোর পর একে অপরকে বোঝার চেষ্টা করেন। দুজনের চাওয়া-পাওয়ার সমন্বয় হয়ে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন প্রেমিক-প্রেমিকারা। কিন্তু একটা সময় আসতে পারে যখন মনে হবে যে, দুজন আসলে দুজনের জন্যে নন। তখন সরে আসাটাই বুদ্ধিমানে লক্ষণ। কিন্তু অনেকেই মানসিক টানাপড়েনে ভোগেন। ভাবেন, যেহেতু প্রেম করেছি, কাজেই মন না চাইলেও বিয়ে করতেই হবে। এতে করে ওই বিয়েটা স্বপ্নহীন হয়ে পড়ে। 

৮. সব বন্ধুই বিয়ে করে ফেলছেন। কাজেই ইচ্ছা না করলেও আপনার করতে হচ্ছে। এ ধরনের চাপ পরিবার ও বন্ধুমহল থেকে আসে। সব বিবাহিত বন্ধুদের মাঝে ব্যাচেলর হয়ে থাকা কিছুটা অস্বস্তিকর হতে পারে। কিন্তু তাদের সঙ্গে খাপা খাওয়ানোর জন্যে বিয়ে করা অর্থহীন। 

৯. বিয়ে না করতে চাইলেও বাবা-মায়ের চাপে বিয়ে করার কোনো অর্থ থাকে না। অভিভাবক চাইছেন বলেই বিয়ে করেছেন। সংসারধর্ম পালনের স্বপ্ন আপনি দেখেননি। সে ক্ষেত্রে দাম্পত্য জীবন কখনো টেকে না। 

১০. আরেকটি বিষয় মনে কাজ করে। তা হলো, একজন সঙ্গী বা সঙ্গিনী থাকলে সে আপনার দেখভাল করতে পারবে। নিজের যত্নআত্তির জন্যে যদি বিয়ে করেন, তবে আপনি স্বামী বা স্ত্রীকে স্রেফ সেবক-সেবিকার স্থানে রেখেছেন। বিয়ের বন্ধন এই উদ্দেশ্য সৃষ্টি হয়নি।
বিস্তারিত

শনিবার, ৭ মার্চ, ২০১৫

নারীদের স্তনের বোটা ভেতরে ঢুকে যাওয়ার কারণ ও সামাধান !

একথা কারো অজানা নয় যে - স্বাভাবিকভাবেই একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারীর দেহে সমস্যা একটু বেশিই হয়ে থাকে। আর এটি হওয়াটাই স্বভাবিক। কারণ একজন নারীর দেহে বহু রকমের কার্যাদি সম্পন্ন হয়। আর অন্য দিকে পুরুষের ক্ষেত্রে তা অতি নগন্য। বিশেষ করে বয়োঃসন্ধিকালে ও সন্তান জন্ম দেওয়ার প্রক্রিয়া বহু ধরণের সমস্যার সম্মখীন হতে হয়।
বিস্তারিত

শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫

সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটির অভাব অবদমিত যৌন ইচ্ছে বাড়িয়ে দেয়

প্রশ্ন :- আমার বয়স ১৮, উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছি ৷ বন্ধু থাকলেও আমি একটু একা থাকতেই পছন্দ করি ৷ আমি যখন একা থাকি, তখন আমার নগ্ন হয়ে থাকতে ইচ্ছে করে ৷ এই ইচ্ছে দমন করার চেষ্টা করলেও, এটা যখন প্রবল হয়ে ওঠে তখন আমি ঘরের আলো বন্ধ করে নগ্ন হয়ে থাকি ৷ আমি বুঝতে পারি না কেন আমি জামা-কাপড় না পরে থাকতে পছন্দ করি না! লজ্জার কারণে কাউকে আমি একথা বলতে পারি না ৷ এটা খারাপ অভ্যাস হয়ে থাকলে কী করে মুক্তি পাবো? (ঠিকানা প্রকাশে অনিচ্ছুক)
বিস্তারিত

বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫

প্রেম, বিয়ে, যৌনতা নিয়ে যে স্টেটাস ফেসবুকে কখনও দেবেন না

মন খারাপ হলেই এখন ফেসবুকে স্ট্যাটাস আপডেট করার হিরিক পড়ে গিয়েছে। শুধু মন খারাপই নয়, হাসিতে লুটোপটি হওয়া কিংবা পাশের বাড়ির কাকিমার সঙ্গে কী নিয়ে ঝামেলা হয়েছে তা নিয়েও স্ট্যাটাস আপডেট! ডালে-ঝোলে-অম্বলে-সবেতেই রয়েছে ফেসবুক। তবে এমন অনেক কিছু আছে, যা ফেসবুকে শেয়ার না করলেই আপনার মঙ্গল। কিন্তু মজার বিষয় হল, এমন অনেক ভুল আমরা প্রায় সকলেই করে থাকি।
বিস্তারিত

সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫

আপনি পুরুষ? জেনে নিন, বীর্যহীনতার কারণগুলি

জীবনযাপনের একটি অন্যতম অঙ্গ হলেও, সমাজের একটা বড় অংশের কাছেই যৌনতা মানই গোপন বিষয়। কানে কানে বলতে হয়। বন্ধুমহলে ঠাট্টার বিষয়। যার ফলে অনেক ক্ষেত্রেই একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ বা নারী যৌন সমস্যায় ভুগলে চিকিত্‍সকের কাছে যেতেও লজ্জা পেয়ে থাকেন। অথচ হোমিওতে পুরুষদের যৌন যৌন সমস্যাগুলির সর্বাধিক কার্যকর ট্রিটমেন্ট রয়েছে। কিছুদিনের প্রপার হোমিও ট্রিটমেন্ট নিলেই  এ সংক্রান্ত সমস্যাগুলি মূল থেকে নির্মূল হয়ে রোগী পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে যৌনতায় সক্ষমতা অর্জন করে থাকে এবং এর জন্য বার বার ঔষধ খাওয়ারও প্রয়োজন পড়ে না।

দেখা যায় পুরুষরা অনেকেই মনে করেন, যৌন অসুস্থতা মানেই লজ্জার বিষয়। পৌরুষ নিয়ে প্রশ্ন!। বিশেষ করে আমাদের এই ভারতীয় উপমহাদেশে এখনও অনেকের বদ্ধমূল ধারণা, সন্তান না হওয়া শুধুমাত্র মহিলাদেরই সমস্যা। কিন্তু জানেন কি, দেশের শহরগুলিতে বহু দম্পতির পুরুষ সঙ্গী বীর্যহীনতায় ভোগেন। সমীক্ষা বলছে, উপমহাদেশের ভারতের শহরে প্রতি ৫টি দম্পতির মধ্যে একটি দম্পতির পুরুষ সঙ্গী বীর্যহীনতার শিকার। যার জেরে সন্তান লাভ হয় না। 
আপনি পুরুষ? জেনে নিন, বীর্যহীনতার কারণগুলি
বিশ্বের তাবড় চিকিত্‍সা বিজ্ঞানীরা কয়েকটি কারণ চিহ্নিত করেছেন। এই কারণগুলির জন্যই পুরুষ বীর্যহীনতার শিকার হয়ে থাকেন। কারণগুলি নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক। এবং এই ধরনের কোনও শারীরিক সমস্যা হলেই চিকিত্‍সকের পরামর্শ নেওয়া দরকার বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। 

মাম্পস :- বয়ঃসন্ধির পরে যদি মাম্পস হয়, তাহলে অবিলম্বে চিকিত্‍সকের দ্বারস্থ হওয়া উচিত। কারণ বিজ্ঞানীরা বলছেন, বয়ঃসন্ধির সময় বা পরে মাম্পস, পুরুষের অণ্ডকোষে শুক্রাণু উত্‍পাদনকারী কোষগুলি নষ্ট করে দিতে পারে। ফলে কোনও পুরুষ আজীবন বীর্যহীনতার শিকার হতে পারেন। 

ভ্যারাইকোসেল :- চিকিত্‍সা বিজ্ঞনীরা জানাচ্ছেন, ভ্যারাইকোসেল হল শুক্রনালীর শিরাঘটিত একপ্রকার টিউমার। এই ধরনের টিউমার হলে, যে শিরার মাধ্যমে অণ্ডকোষে রক্ত সঞ্চালিত হয়, সেই শিরা ফুলে যায়। ফলে অণ্ডকোষে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয় না। এবং শুক্রাণু তৈরিও হওয়া কমে যায়। দেখা গিয়েছে, ভ্যারাইকোসেলের সম্পূর্ণ চিকিত্‍সার পরেও মাত্র এক চতুর্থাংশ ব্যক্তির শুক্রাণু তৈরি সন্তোষজনক ভাবে বেড়েছে। 

আনডিসেন্ডেড টেস্টিকল্‌স :- অর্থাত্‍ অণ্ডকোষ অণ্ডথলিতে না গিয়ে, অ্যাবডমেনেই থেকে যাওয়া। পুত্র সন্তানের জন্মের আগে মাতৃগর্ভেই তৈরি হয়ে যায় অণ্ডকোষ। এরপর ঠিক জন্মের কয়েক দিন আগে দু'টি অণ্ডকোষ অ্যাবডমেন থেকে অণ্ডকোষ থলিতে নেমে আসে। মাতৃগর্ভে যখন এই প্রক্রিয়াটি ঠিকমতো হয় না, তখনই আনডিসেন্ডেড টেস্টিকল্স-এর সমস্যা তৈরি হয়। চিকিত্‍সার পরিভাষায় যাকে বলে ক্রিপটরচিডিজম। এর জেরে একজন পুরুষকে সারা জীবন বীর্যহীনতায় ভুগতে হতে পারে। 

টেস্টিকিউলার ক্যান্সার :- অণ্ডকোষে ব্যথা অনুভব করলে অবিলম্বে চিকিত্‍সকের দ্বারস্থ হওয়া অত্যন্ত জরুরি। কারণ অনেক সময় অণ্ডকোষে টিউমার হলে এক ধরনের ব্যথা হয়। এই ব্যথাকে অগ্রাহ্য করলে বিপদ। ওই টিউমার থেকে ক্যান্সার হতে পারে। ঠিক সময়ে ধরা না-পড়লে ক্যান্সার ছড়িয়ে যায় দেহের অন্যান্য অংশেও। ফলে মৃত্যুও হতে পারে। 

ডায়াবেটিস :- ডায়াবেটিস আক্রান্ত হলেও শুক্রাণু তৈরি কমে যেতে পারে। চিকিত্‍সকরা জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস রোগীদের অনেক ক্ষেত্রেই শুক্রাণু তৈরি কমতে শুরু করে। এক সময় তৈরি হওয়া একেবারে বন্ধ হয়ে যাওয়ারও আশঙ্কা থাকে। 

অস্ত্রোপচার বা কোনও ক্ষত :- কোনও দুর্ঘটনায় অণ্ডকোষে গুরুতর আঘাত লাগলে বা কোনও ক্ষত হলে শুক্রাণু তৈরিতে প্রভাব পড়ে। খেলতে গিয়ে অণ্ডকোষে আঘাত পেলে বা কোনও দুর্ঘটনায় আহত হলে অণ্ডকোষগুলিতে রক্ত সঞ্চালন কমে যেতে পারে। এমনকি হারনিয়া অস্ত্রোপচারের ফলেও বীর্যহীনতা হতে পারে। 

শারীরির ভারসাম্যহীনতা :-
সঙ্গমের সময় অনেক পুরুষের যৌনাঙ্গ থেকে নির্গত ধাতুতে শুক্রাণু থাকে না। অনেক সময় মূত্রনালীতে সংক্রমণ হলে এই ধরনের সমস্যা হয়। এর ফলে শুক্রাণুর সঙ্গে অন্যান্য তরলের মিশ্রণ না হওয়ায় বীর্য তৈরি হয় না। 

তপ্ত আবহাওয়া বা পরিবেশ :- শুক্রাণু তৈরিতে তাপমাত্রা একটা বড় ভূমিকা নেয়। দেখা গিয়েছে, যে সব ব্যক্তি দিনের পর দিন খুব গরমের মধ্যে কাজ করেন (কারখানা, বয়লার রুম ইত্যাদি), তাঁদের শুক্রাণু তৈরি কমে যায়। 

প্রচণ্ড মানসিক চাপ ও ধূমপাম, মদ্যপান :- বর্তমান সময়ে দেখা গিয়েছে, বীর্যহীনতার অন্যতম কারণ প্রচণ্ড কাজের চাপ, মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, অনিদ্রা, ধূমপান ও মদ্যপান। তবে চিকিত্‍সকরা জানাচ্ছেন, মানসিক রোগ, যেমন অবসাদ, উদ্বেগ কমানোর আধুনিক চিকিত্‍সায় এই ধরনের সমস্যার সমাধান হয়ে যাচ্ছে।
বিস্তারিত

বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫

নারী পুরুষের যৌনতা নিয়ে কিছু সার কথা - যা না জানলেই নয়

রতিসুখের চরম বিন্দুতে পৌঁছনোর বিষয়ে এযাবত হয়তো কয়েক কোটি প্রবন্ধ পড়ে ফেলেছেন নিশ্চয়? জেনে রাখুন, ওই সমস্ত আসলে আদ্যপান্ত জঞ্জাল। এ ব্যাপারে আসল কথাটা বলে বিজ্ঞান। আসুন কিছু বিজ্ঞানভিত্তিক যৌনচর্চা হয়ে যাক।
নারী পুরুষের যৌনতা নিয়ে কিছু সার কথা - যা না জানলেই নয়
  • গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মোজা পরে সঙ্গম করলে চরম সুখ প্রাপ্তি হয়। বিজ্ঞানীদের মতে, পায়ে মোজা পরা থাকলে যৌন সুখ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তবে উত্‍কট রহের মোজা পরলে হিতে বিপরীত হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
  • হাসিখুশি পুরুষের প্রতি আদৌ কোনও যৌন আকর্ষণ বোধ করে না নারী। বরং গোমড়া মুখের সঙ্গীর প্রতি দৈহিক মিলনের তীব্র কামনা অনুভব করেন মহিলারা। অন্যদিকে, নারীর হাসিমুখ দেখে পুরুষের যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি পায় বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। সুতরাং কাতুকুতু দিলেও কোনও মতে পুরুষের হাসি চেপে রাখাই বিধেয়।
  • রৌদ্রস্নানে টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধি পায়। এর ফলে স্ত্রী পুরুষ উভয়েরই মনে তীব্র যৌন কামনা জাগে। মিলনের আগ্রহ বাড়িয়ে তুলতে অতএব রোদ পোহানো অভ্যেস করতে পারেন।
  • পূর্বরাগ পর্যায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে পুরুষের নাক। নাকের সামনের নরম অংশের স্পর্শে নারীর যৌন চেতনা জেগে ওঠে। তীব্র কামোন্মাদনা তৈরি হয়।
  • ঘর্মাক্ত পুরুষ দেখলে অধিকাংশ মহিলারপ্রবল যৌন ইচ্ছা তৈরি হয় বলে সমীক্ষায় জানা গিয়েছে। আসলে পুরুষের ঘামের সঙ্গে অ্যান্ড্রোস্ট্যাডিএনোন ক্ষরণের ফলে জাগ্রত হয় নারীর যৌন চেতনা।
  • একটি ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে যে পেশিবহুল পুরুষ মাত্রই নারীকে চরম যৌন তৃপ্তি দিতে সক্ষম। কিন্তু বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, যে সমস্ত পুরুষের শরীরের মধ্যপ্রদেশ স্ফীত, তাঁরাই দীর্ঘ সম্ভোগ করতে পারেন। আসলে শরীরে চর্বি থাকার মানে হল স্ত্রী হরমোন এস্ট্র্যাডিওল-এর আধিক্য। এই হরমোনের সাহায্যে চরম রতিসুখের স্তরে পৌঁছতে সাধারণের তুলনায় অন্তত ৫ মিনিট বেশি সময় লাগে ভুঁড়ি সমৃদ্ধ পুরুষের। তাই সিক্স প্যাক্স-এর মোহ ত্যাগ করে মহিলারা স্থূল শয্যাসঙ্গী বাছলেই অধিক যৌন তৃপ্তি লাভ করবেন।
  • যত্ন করে দাড়ি কামানো মুখের চেয়ে গালে খোঁচা খোঁচা দাড়িই নারীকে বেশি আকর্ষণ করে বলে জানা গিয়েছে। এলোমেলো চুল আর অগোছাল দাড়ির পুরুষের সঙ্গে যৌন মিলনে তৃপ্ত হন বেশির ভাগ মহিলা।
  • অন্তরঙ্গতা বাড়াতে চুমুর বিকল্প নেই, জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যে যুগল ঘন ঘন চুম্বনে অভ্যস্ত, দেখা গিয়েছে দীর্ঘায়িত যৌন মিলনের আনন্দ তাঁরাই উপভোগ করেন।
  • মশলাদার খাবার পুরুষের যৌন ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে বলে জানা গিয়েছে। পছন্দের পুরুষের থেকে সম্পূর্ণ দৈহিক সুখ লাভ করতে হলে তাঁকে মশলা মিশ্রিত সুস্বাদু পদ পরিবেশন করুন।
  • বেশির ভাগ পুরুষই মেয়েরা লাল রঙের পোশাক পরলে তীব্র যৌন আকর্ষণ বোধ করেন। তাই কামনার সঙ্গীকে যৌন সচেতন করে তুলতে রাঙা সাজে সেজে উঠুন।
  • মাথা ধরার অব্যর্থ দাওয়াই হল রতিসুখ, জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁদের মতে, যৌন তৃপ্তি অনেক সময় আংশিক অথবা পুরোপুরি মাইগ্রেন সারাতে সক্ষম।
  • বিজ্ঞানীদের মতে, বয়স্কা মহিলারা অল্পবয়েসীদের চেয়ে তুলনায় দ্রুত যৌন সুখের চরম সীমায় পৌঁছান। এই কারণে বয়সে বড় নারীর সঙ্গে পুরুষের সঙ্গম বেশি তৃপ্তিদায়ক বলে মনে করেন তাঁরা।
  • জানেন কি, ঘুমিয়ে ঘুমিয়েও বহু মানুষ রতিক্রিয়াশীল থাকতে পারেন? ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে খাওয়া অথবা হেঁটে-চলে বেড়ানোর অভ্যাসের মতো কেউ কেউ ঘুমন্ত অবস্থায় দিব্যি যৌন মিলনে লিপ্ত হতে পারেন। এই অসুখের নাম 'সেক্সমনিয়া'। মজার কথা, ঘুম ভাঙলে ঘটনাটি একেবারেই ভুলে যান তাঁরা।
তবে যতই টিপস নিন না কেন, কার্যক্ষেত্রে সঠিক দাওয়াইটি মনে করে প্রয়োগ করতে পারলেই অভীষ্ট সিদ্ধি হবে। মনে রাখবেন, যৌন সংক্রান্ত কোনো রোগ থাকলে আগে তার ট্রিটমেন্ট করাই বিধেয়। 
বিস্তারিত

মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী, ২০১৫

নীল ছবিতে বুঁদ দেশ, পর্নোগ্রাফি রাজধানী হওয়ার পথে............. !!

নীল ছবিতে বুঁদ দেশ, পর্নোগ্রাফি রাজধানী হওয়ার পথে........!! ভয় পাবেন না, এটা  আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ নয়। পর্নোগ্রাফি রাজধানী হওয়ার পথে ভারত ।এমনটিই জানিয়েছে "জি নিউজ ইন্ডিয়া"। আমাদের নিজেদের পাওয়া তথ্যাদি থেকে একবার আপনাদের জানিয়েছিলাম বর্তমান বিশ্বে বিবাহ পূর্ব যৌন সমস্যায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয় ভারতীয়রা। এমনি আরেকটি খবর ছেপেছে স্বয়ং ভারতীয় একটি সংবাদ মাধ্যম "জি নিউজ ইন্ডিয়া" । তথ্য সুত্র লিংক নিচে পাবেন। আগে বিস্তারিত..........
বিস্তারিত

রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৪

অনলাইনে হাজারো পুরুষ যৌন প্রতারণার শিকার হচ্ছেন

অনলাইনে হাজারো পুরুষ যৌন প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। ফাঁদে পা দেওয়া পুরুষদের জিম্মি করে তাঁদের কাছ থেকে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে অপরাধ চক্র। বিবিসি বাংলার এক অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ফিলিপাইনে যোগাযোগের সামাজিক মাধ্যমগুলোতে পুরুষদের যৌনতার ফাঁদে ফেলে অর্থ কামানোর এই ব্যবসাটি প্রকট আকার ধারণ করেছে। এতো গেল ফিলিপাইনের ঘটনা, এবার আসুন আমাদের নিজের দেশের দিকে তাকাই।
বিস্তারিত

সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৪

মেয়েদের ঋতুস্রাব/পিরিয়ড স্বাভাবিক নিয়মে হওয়ার লক্ষণ সমূহ

ঋতুস্রাব বা পিরিয়ড হলো প্রতিটি নারীর একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু অস্বাভাবিকতা দেখা দিতে পারে এই প্রক্রিয়াতে যার ফলে একজন নারীর বন্ধ্যাত্ব সমস্যাও হতে পারে। তবে কী করে বুঝবেন আপনার ঋতুস্রাবটি স্বাভাবিক নিয়মে হচ্ছে?

ঋতুস্রাব স্বাভাবিক হওয়ার কিছু লক্ষণ

  • হালকা মাথাব্যথা হবে
  • ক্ষুধা লাগবে
  • শারীরিক অনুভূতি দৃঢ় হবে
  • খিটখিটে মেজাজ থাকবে
  • মুখে ব্রণ হতে পারে
  • মাঝে মাঝে বমি ভাব হতে পারে
  • ঘুমের সমস্যা হতে পারে
অনেক নারীই জানেন না যে তার ঋতুস্রাবটি সঠিক নিয়মে হচ্ছে নাকি হচ্ছে না। এক্ষেত্রে প্রয়োজন সঠিক জ্ঞান আর বান্ধবীদের মাঝে আলোচনা। সাধারণত বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই নারীদের এই ঋতুস্রাব হয়ে থাকে। মাসের একটি নির্দিষ্ট সময়ে এটি একবার করে হয়ে থাকে। তবে মাসে ২-৩ বার হওয়া বা একেবারেই না হওয়া একটি খারাপ লক্ষণ। তবে হঠাৎ করে এর স্বাভাবিক সময় পরিবর্তন হওয়াটাও খারাপ একটি লক্ষণ। এর জন্য অবশ্যই অভিজ্ঞ কোন হোমিও ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।
মেয়েদের ঋতুস্রাব/পিরিয়ড স্বাভাবিক নিয়মে হওয়ার লক্ষণ সমূহ
ঋতুস্রাবের সময়কাল :- প্রায় সব নারীরই এই ঋতুস্রাব হওয়ার সময়কাল হয়ে থাকে ৩-৫ দিন পর্যন্ত। কিন্তু এর স্বাভাবিক সময়কাল হল কমপক্ষে ২ দিন থেকে ৭ দিন পর্যন্ত। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৭ দিনের একটু বেশি সময় ধরে অল্প অল্প করে রক্তস্রাব হওয়াটা স্বাভাবিক তবে যদি রক্তপ্রবাহ অনেক বেশি হয়ে থাকে তাহলে তা অবশ্যই অস্বাভাবিক।

রক্তপ্রবাহের পরিমাণ :- একেকজন নারীর ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে এই ঋতুস্রাব হয়ে থাকে। কারও অনেক কম হয়ে থাকে, কারও অনেক বেশি হয়ে থাকে আবার কারও মাঝামাঝি পর্যায়ে হয়ে থাকে। স্বাভাবিক রক্তস্রাবের পরিমাণটি কেমন তা জানা দরকার।

অল্প অল্প করে দিনে কয়েকবার হওয়াটা স্বাভাবিক। দিনে ৩ টা প্যাড পরিবর্তন করাটাও স্বাভাবিক। তবে মধ্যরাতে একই পরিমাণ প্যাড পরিবর্তন করাটা অস্বাভাবিক। কেননা স্বাভাবিক নিয়মেই রাতে ঋতুস্রাব একটু কম হয়ে থাকে অনেকেরই। কারণ শারীরিক পরিশ্রমের উপরে এর পরিমাণ বাড়তে পারে, রাতে পরিশ্রম একেবারেই হয় না বলে এর পরিমাণও কম হয়ে থাকে। ঋতুস্রাবের প্রথম কয়েকদিন এর প্রবাহ একটু বেশি থাকবে এটি স্বাভাবিক কিন্তু তাই বলে প্রতি ঘন্টা বা প্রতি ২ ঘন্টায় প্যাড পরিবর্তন করাটা অস্বাভাবিক। এমন অস্বাভাবিকতা দেখামাত্র ডাক্তারের স্মরণাপন্ন হওয়া একান্ত জরুরি।

পরবর্তী ঋতুস্রাবের মধ্যবর্তী সময়কাল

স্বাভাবিকভাবেই জানা যায় যে বর্তমান ঋতুস্রাব থেকে পরবর্তী ঋতুস্রাবের মধ্যবর্তী সময়কাল হয়ে থাকে ২৮ দিন। তবে গবেষণায় উঠে এসেছে যে এটি একটি ভ্রান্ত ধারণা। বর্তমান ঋতুস্রাব থেকে পরবর্তী ঋতুস্রাবের মধ্যবর্তী সময়কাল ২১ দিন থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে এই সময়কাল ২১ দিনের কম এবং ৩৫ দিনের বেশি হওয়াটা অস্বাভাবিক। তবে ঋতুস্রাবের ক্ষেত্রে যে কোন জটিলতায় অভিজ্ঞ কোনো হোমিও ডাক্তারের স্মরনাম্পন্ন হন। 
বিস্তারিত

মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৪

যৌন মিলন ও হস্তমৈথুনেও ছড়াতে পারে মারণ ভাইরাস ইবোলার সংক্রমণ

কয়েকদিন আগে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিল ভারতে ইবোলা নিয়ে এক রিপোর্ট। লাইবেরিয়া থেকে আসা এক ভারতীয়কে দিল্লির বিমানবন্দরে আটক করা হয়। তিনি ইবোলা আক্রান্ত ছিলেন। লাইবেরিয়া সরকার তাঁকে সুস্থ বলে ঘোষণা করলেও দেখা গেছে, তাঁর শুক্রাণুতে ইবোলার নমুনা পাওয়া যায়।
বিস্তারিত

শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১৪

বিয়ের পূর্বে হবু স্ত্রী সম্পর্কে যে বিষয়গুলি জেনে নেয়া জরুরি

দাম্পত্য মানেই একজন মানুষের সাথে নিজের বাকিটা জীবন কাটানো। যদিও আজকাল ডিভোর্স খুব সহজ একটি ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে, কিন্তু তবুও যতটা সোজা ভাবা হয় বিষয়গুলো আসলে ততটা সহজ নয়। স্ত্রী এমন কেউ নন যে পছন্দ না হলেই বদলে ফেলবেন। বরং সে পরিস্থিতি যেন না হয়, সে কারণে বিয়ের আগেই কিছু খোঁজখবর করে নেয়া ভালো। বিয়েতে কিছু বিষয় একটু ভালো করে জেনে নেবেন। এতে সব শেষে লাভ হবে আপনাদের দুজনেরই।
বিস্তারিত

যৌন মিলনকালে পুরুষরা আত্মবিশ্বাস বাড়াবেন কি ভাবে ?

অনেকসময়ই দেখা যায় স্ত্রীকে সামনে পেয়ে মিলনকালে কনফিডেন্স হারিয়ে ফেলেন কিছু কিছু পুরুষ। এমনকী, যে নারীর কথা উত্তেজিত হন পুরুষেরা, অনেকসময় দেখা যায় তাঁকে একান্তে পেয়েও হতাশা-দ্বিধায় ভোগেন পুরুষেরা। কারণ, প্রথমত তিনি একটা বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেন না, যে তাঁর সঙ্গিনীকে সুখী করতে পারবেন কী না। ঘাবড়াবেন না। আপনার কনফিডেন্স বাড়ানোর জন্য রইল কিছু টিপস।
যৌন মিলনকালে পুরুষরা আত্মবিশ্বাস বাড়াবেন কি ভাবে ?
  • আপনার সঙ্গিনী কিন্তু আপনার চেয়েও বেশি কল্পনাপ্রবণ। তিনি আপনার সঙ্গে মিলনের আগে বহুবার সে কথা তিনি মনে মনে ভেবে ফেলেছেন। আপনার সঙ্গে শয্যায় সে সবের পুনরাবৃত্তি করছেন মাত্র। 
  • শুধু ফোরপ্লে করে থেমে যাবেন না। কারণ, এতে আপনার স্ত্রী বা সঙ্গিনী হতাশ হতে পারেন। কাজের চাপ থাকবেই, কিন্তু নিজের সঙ্গিনীকে আপনি কতটা ভালবাসেন তা চেপে রাখবেন কেন? 
  • অযথা হতাশ হবেন না। দ্বিধায় ভুগবেন না। বিদেশি পর্ন ফিল্মের ক্যারেক্টার নন আপনি। একজন বাংলাদেশী পুরুষ। আপনার যৌন ক্ষমতাও আর পাঁচটা পুরুষের মতই। সঙ্গিনীকে একান্তে পেলে এটা মাথায় রাখবেন। 
  • নিজের বাহ্যিক যৌন্দর্যে মন দিন। সিনেমায় যতই দেখাক, একগাল খোঁচাখোঁচা দাড়ি দেখে নায়িকারা ছুটে আসছেন, বাস্তবে অনেকসময়ই তা হয় না। বিশেষত শয্যায় আপনার স্ত্রী মোটেও পছন্দ করবেন না কোনও গভীর মুহূর্তে আপনার গালের ধারালো দাড়িতে আঘাত পেতে। রাতে আগে ব্রাশ করতে ভুলবেন না যেন। 
  • রতিক্রিয়ার সময় অন্য কথা মনে আনবেন না। কারণ, মুখ হল মনের আয়না। আপনার মন অন্য কিছু ভাবছে, এরকমটা হলে আপনি মুখে তা প্রকাশ পাবেই। 
  • মিলনের প্রাক মুহূর্তে এমন কিছু করবেন না যা আপনাকে ও আপনার স্ত্রী-সঙ্গিনীকে অস্বস্তিতে ফেলে দেয়। আপনি সবরকম শৃঙ্গারে অভ্যস্ত না হতেই পারেন। সেটা আপনার স্ত্রী-সঙ্গীকে বোঝান। তিনি নিশ্চয় বুঝবেন। 
  • গভীর মুহুর্তে আপনার স্ত্রী হঠাৎ থেমে যেতে পারেন এই আশঙ্কা করবেন না। তাহলে কিন্তু আপনি মোটেও স্বাচ্ছন্দ্য হতে পারবেন না। 
আপনার স্ত্রী বা সঙ্গিনী অন্য গ্রহের প্রানী নন। প্রথমবার মিলনের আগে ভয় পাবেন না। তিনিও আপনার মতই মানসিক অবস্থায় রয়েছেন। আবার দু-পক্ষই যেন একে অপরকে বোকা ভাববেন না। পুরুষ বা মহিলা-কোনওপক্ষই যেন এটা ভেবে না নেন, যে অপর প্রান্তের মানুষটাকে আমি সহজেই বোকা বানাতে পারি।
বিস্তারিত

বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৪

এক চুমুতে মুখের মধ্যে প্রবেশ করে ৮ কোটি ব্যাকটেরিয়া - জানেন কি ?

চুমুতে ভালবাসা বাড়ে, ভালবাসা ছড়ায় জানাছিল, কিন্তু চুমুর মধ্যে দিয়ে ব্যাকটেরিয়ার আদানপ্রদান হয় তা কি জানা আছে? নতুন এক গবেষণা বলছে মাত্র ১০ সেকেন্ডের গভীর চুমুতে ৮ কোটি ব্যাকটেরিয়া একজনের লালার সঙ্গে অন্যজনের মুখে প্রবেশ করে। যে যুগল দিনে যতবার বেশি চুমু খায় তাদের মুখের মধ্যের মাইক্রোব্যাকটেরিয়ার তত বেশি মিল থাকে। 
বিস্তারিত

রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০১৪

মেয়েদের ঋতুস্রাবে স্যানিটারি ন্যাপকিনের সঠিক ব্যবহার

আগেকার দিনের নারীরা তাদের পিরিয়ড কালীন সময়ে ঘরের মাঝেই আবদ্ধ হয়ে থাকতেন যাতে কোনভাবে রক্তপাত দৃশ্যমান হলে তাদেরকে কোন প্রকার লোকলজ্জার পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে না হয়। আজকের আধুনিক জীবনে নারীদের একটি বড় সুবিধা করে দিয়েছে স্যানিটারি ন্যাপকিন। কিন্তু এর আছে বেশ কিছু স্বাস্থ্য ঝুকিও! সঠিক স্যানিটারি ন্যাপকিন নির্বাচন এবং ব্যবহার করতে না পারলে এটা হয়ে ওঠে জরায়ু ও মুত্রথলির সংক্রমণসহ নানা প্রকারের ক্যান্সারের কারণ।
বিস্তারিত

শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৪

পুরুষরা আকর্ষণ বাড়াতে যা যা করতে পারেন

পুরুষরা কিছু নিয়ম শৃঙ্খলার মধ্যে থাকলে তাদের যৌবন দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং সকলের নিকট অধিক আকর্ষনীয় হয়ে উঠেন। অতীতে পুরুষ বলতে বোঝাতো পেশিশক্তির প্রদর্শন। সে সময় সৌন্দর্যের মতো বিষয় নিয়ে চিন্তা করার প্রয়োজনীয়তা ছিল না। কিন্তু এখন অবস্থা পাল্টেছে। বর্তমান যুগে পুরুষের আকর্ষণ বজায় রাখার জন্য যেসব বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এ লেখায় থাকছে এ বিষয়ে কিছু পরামর্শ :

পোশাকের দিকে লক্ষ্য রাখুন :- নিজের পোশাকগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখার প্রয়োজন আছে। সঠিক মাপে পোশাক পরা ফ্যাশনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

নিয়মিত শারীরিক অনুশীলন :- শরীর ঠিক রাখার কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য প্রয়োজনে জিমে যাওয়া যেতে পারে।
পুরুষরা আকর্ষণ বাড়াতে যা যা করতে পারেন
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে লক্ষ্য রাখুন :- নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে লক্ষ্য রাখার কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত দাঁত ব্রাশ করা ও গোসল করার বিকল্প নেই। এ ছাড়াও প্রয়োজনে ভালো মাউথওয়াশ ও ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে।

নিয়মিত ত্বক পরিচর্যা :- পুরুষের ত্বকও পরিচর্যার প্রয়োজন আছে। এ জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিয়মিত তা পরিষ্কার করা। এ ছাড়া প্রয়োজনে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে।

নিয়মিত চুল পরিচর্যা :- নিয়মিত চুল কাটার পাশাপাশি তা পরিচর্যারও প্রয়োজন আছে। পুরুষের আকর্ষণ বাড়াতে চুল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উপযুক্ত ঘুম :- ঘুমানো স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি কাজ। প্রতিদিন সাড়ে সাত ঘণ্টা বা উপযুক্ত ঘুম না ঘুমালে তা শরীরে নানা বিরুপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। তাই নিয়মিত ঘুম পুরুষের সুস্বাস্থ্যের জন্য ও সার্বিকভাবে ঠিক থাকার জন্য অতি প্রয়োজনীয়

স্বাস্থ্যসচেতন হোন :- ধূমপানের মতো ক্ষতিকর অভ্যাস বর্জন করুন। স্বাস্থ্যকর খাবার খান। এতে গড়ে উঠবে সুস্বাস্থ্য।
বিস্তারিত

শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৪

সহবাস বা যৌন মিলন সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে

আপনি জানেন কি সহবাস বা যৌন মিলন বিভিন্ন ভাবে আপনার সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে থাকে । শরীর ভাল রাখতে সবচেয়ে ভাল উপায় যৌনতা উপভোগ এর মাধ্যমে প্রচুর কেমিক্যালের ক্ষরণ হয় যা মস্তিষ্ক ও হৃদয়ের পক্ষে স্বাস্থ্যকর৷ এছাড়াও যৌনতার অন্যান্য উপকারিতাও রয়েছে৷ যৌনতা রক্তের সংবহনকে বৃদ্ধি করে৷ এটি ত্বকে অক্সিজেনের মাত্রা বৃদ্ধি করে ফলে ত্বক অনেক বেশি স্বাস্হ্যজ্জ্বল হয়৷ নিয়মিত যৌন প্রবৃত্তি ত্বকে দীর্ঘ প্রভাব বিস্তার করে এবং এর ফলে আপনাকে দেখতে অনেক কম বয়সি বলে মনে হয়৷ যৌনতা সাধারন কোলাজেন উৎপাদন বৃদ্ধি করে, এটি মুখের বিভিন্ন বার্ধক্যজনিত দাগ থেকে মুক্তি দেয় এবং ত্বককে ঝুলে পড়তে দেয়না৷
বিস্তারিত

সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৪

স্ত্রীর সাথে যৌন মিলন বা সহবাসের সময় স্বামীদের যা জানা দরকার

আজ যে বিষয়টা সম্পর্কে জানবেন তা আগেও কয়েকটা আর্টিকেলে উল্লেখ করেছিলাম। কিন্তু আজ তার বাস্তব গবেষণালব্ধ ফলাফল সম্পর্কে জানবেন। আর তা হলো স্ত্রীর সাথে সহবাসের সময় কিছু বিষয় রয়েছে যা জানাটা তাদের জন্য অতি ফলদায়ক। পুরুষ মানুষ অনেক সময় ভালোবাসার মতো সম্পর্ককে ছেড়ে যৌন সম্পর্কের দিকে বেশী প্রভাবিত হয়ে থাকে।

অ্যামেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অফ রিটায়ার্ড পার্সনস (এএআরপি) প্রকাশিত একটি রিপোর্ট থেকে জানা যায় -গবেষণায় দেখা গেছে, একজন পুরুষ তার যৌনতার জন্য আগে থেকে প্রস্তুত থাকে কিন্তু একজন নারী এতে আগে থেকে প্রস্তুত থাকে না নারীদের এটা হয় ধীরে ধীরে। 
স্ত্রীর সাথে যৌন মিলন বা সহবাসের সময় স্বামীদের যা জানা দরকার
মার্কিন এক প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, 'এ ভিন্নতার কারণ জানতে পারলে পুরুষের পক্ষে ভালো প্রেমিক হওয়া সম্ভব হবে।' এর আগে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার একটি ইউনিভার্সিটি শ'খানেক নারী, যারা যৌনতা শুরুর সময় শিথিল থাকেন, তাদের ওপর গবেষণা করে জানা যায়, নারীরা যখন ভালোবাসা অনুভব করেন, তখন যৌনতা উপভোগ করেন।

এ কারণে গবেষকরা জানান, যৌনতার সময় পুরুষের ধীরে অগ্রসর হওয়া উচিত। এ ছাড়াও এক্ষেত্রে উপকারে আসতে পারে সারা দেহের মেসেজ ও স্পর্শ। এগুলো নারীদের যৌনতায় আগ্রহী ও প্রস্তুত করে তোলে এবং তা উপভোগে সহায়তা করে।
বিস্তারিত