যৌন ও স্ত্রীরোগ, চর্মরোগ, কিডনি রোগ, হেপাটাইটিস, লিভার ক্যান্সার, লিভার সিরোসিস, পাইলস, IBS, পুরাতন আমাশয়সহ সকল ক্রনিক রোগে হোমিও চিকিৎসা নিন। ডাঃ হাসান, আধুনিক হোমিওপ্যাথি, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা। ফোন করুন:- ০১৭২৭-৩৮২৬৭১

শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৪

অ্যালোপ্যাথি এবং হোমিওপ্যাথির মধ্যে কেন এত বৈরীতা ?

আগেই বলে রাখছি লেখাটি আমার নয়। শুরুতেই এটা বলার কারণ হলো লেখাটি পড়ে অনেকই হয়ত আমার গুষ্ঠি শুদ্ধ উদ্ধার করতে কার্পন্য করবেন না। "হোমিওপ্যাথিই আদর্শ বিকল্প চিকিৎসা ব্যবস্হা" শিরোনামে লিখেছিলেন প্রখ্যাত হোমিওপ্যাথ ড. এ কে অরুণ, এম ডি (হোমিও) আর লেখাটি প্রকাশ করেছিল ভারতের বিখ্যাত দ্যা সানডে ইন্ডিয়ান পত্রিকা । সরাসরি লিংকটা আর্টিকেলটির নিচে পাবেন। তার আগে বিস্তারিত ..............
গত কয়েক বছর ধরে গোটা বিশ্বের অ্যালোপ্যাথিক লবির বৈজ্ঞানিক এবং বিশেষজ্ঞরা হোমিওপ্যাথির সমালোচনা করে চলেছেন ৷ গত সপ্তাহেই তো ব্রিটিশ মেডিক্যাল অ্যাশোসিয়েশন একে ‘ডাইনিবিদ্যা’নাম দিয়েছে ! একে অবৈজ্ঞানিক বলে তারা ব্রিটেনের জাতীয় স্বাস্হ্য পরিষেবাকে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাধীন ব্যত্তিদের চিকিৎসার খরচ বহন না করতে অনুরোধ জানিয়েছে ৷ অ্যালোপ্যাথিক লবি এর আগেও বহুবার হোমিওপ্যাথির বৈজ্ঞানিক গুরুত্বকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে তার সমালোচনা করেছে ৷ 2005 সালের 27 আগস্ট ‘দ্য ল্যান্সেট’ নামক ব্রিটেনের এক পত্রিকায় ‘দ্য এন্ড অফ হোমিওপ্যাথি’শীর্ষক একটা বিতর্কিত নিবন্ধ ছাপা হয়েছিল ৷ তাতে দাবি করা হয়েছিল, হোমিওপ্যাথির নাকি শুশ্রূষাগত কোনও ক্ষমতা নেই৷ বিশ্বের বিভিন্ন চিকিৎসক এবং গবেষকরা ওই নিবন্ধের সমালোচনা করেছিলেন ৷ লোকে বলে, বিশ্ব স্বাস্হ্য সংস্হা হোমিওপ্যাথিকে বৈজ্ঞানিক এবং যুক্তিপূর্ণ চিকিৎসাব্যবস্হা বলে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল৷ কিন্তু অ্যালোপ্যাথিক লবির চাপে তারা সেটা এখনও ঘোষণা করেনি ৷
অ্যালোপ্যাথির ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান রোগ, জটিলতা এবং নিরাময়ে ব্যর্থতার ফলে ক্রমশ হোমিওপ্যাথির মতো বিকল্প চিকিৎসা ব্যবস্হাগুলো জনপ্রিয়তা লাভ করছে ৷ আগে তো অ্যালোপ্যাথিকের বিখ্যাত ডাক্তারও হোমিওপ্যাথিকে সম্বল করে নানা সময় চিকিৎসার কাজ করেছেন ৷ অ্যালোপ্যাথির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে লোকজন আজ খুবই বিরক্ত ৷ লন্ডন হাসপাতালের বিখ্যাত ডাক্তার ডঃ পিটার ফিসার বলেন যে, লন্ডনের বুকে হোমিওপ্যাথির জনপ্রিয়তা দুরন্ত গতিতে বাড়ছে ৷ হোমিওপ্যাথিক হাসপাতালগুলোর জন্য ব্রিটিশ সরকার বছরে এখন চার মিলিয়ন পাউন্ড করে খরচ করে৷
আবু-ধাবি, অস্ট্রিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আফগানিস্তান, বেলজিয়াম, চিলি, সাইপ্রাস, কানাডা, কোস্টারিকা,ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ, মিশর, ফিজি, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, গ্রিস, জার্নি, গায়না, হল্যান্ড, হাঙ্গেরি,আয়ারল্যান্ড, ইজরায়েল, ইতালি, ভারত, জাপান, কেনিয়া, লিথুয়ানিয়া, মেক্সিকো, মরিশাস,মালেশিয়া, নাইজিরিয়া, নরওয়ে, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান, পর্তুগাল, পানামা, ফিলিপিন্স, কাতার,রাশিয়া, রোমানিয়া, সু্যইজারল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, স্কটল্যান্ড, স্লোভাকিয়া, স্পেন, তাইওয়ান, ব্রিটেন এবং ইউক্রেনের মতো দেশে হোমিওপ্যাথি যথেষ্ট জনপ্রিয় ৷ বিখ্যাত ব্রিটিশ বৈজ্ঞানিক এবং বিশেষজ্ঞ ডঃ মাইকেল ব্রুক্সের মতে, ফ্রান্সের 40 শতাংশ চিকিৎসক হোমিওপ্যাথি ব্যবহার করেন ৷ ব্রিটেনে 37 শতাংশ এবং জার্নির 20 শতাংশ অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসক নিজেদের ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথির ব্যবহার করেন ৷ 1999 সালে চালানো এক সমীক্ষা অনুযায়ী, হোমিপ্যাথির জন্য কোনও বিমা পরিষেবা না থাকা সত্ত্বেও আমেরিকার 60 মিলিয়ন মানুষ তখন হোমিওপ্যাথি ব্যবহার করত৷ তাদের সংখ্যা এখন আরও অনেক বেড়ে গেছে৷

লাভাঙ্কের দিক থেকে চিকিৎসা এবং ওষুধ ব্যবসার এখন সুবর্ণ যুগ চলছে৷ স্বাস্হ্য পরিষেবা ইন্ডাস্ট্রি এখন বছরে 13 শতাংশ হারে বাড়ছে এবং এটা এখন এক অত্যন্ত লাভজনক ইন্ডাস্ট্রি৷ কিন্তু ব্যবসার নেশায় মত্ত এই ইন্ডাস্ট্রি রোগিদের চিকিৎসার থেকে বেশি গুরুত্ব দিচেছ আর্থিক লাভাঙ্ককে৷ আমেরিকার মতো দেশে চিকিৎসা এবং ওষুধ মারাত্মকভাবে ব্যয়বহুল বলে 30 থেকে 40 শতাংশ মানুষ তো উপযুক্ত চিকিৎসাই পান না৷ সম্প্রতি মার্কিন হাউস নতুন একটা স্বাস্হ্য বিল পাস করেছে৷ এতদিন ধরে স্বাস্হ্য বিমার বাইরে থাকা নাগরিকদের বিমার আওতায় আনার জন্যই তাদের এই উদ্যোগ৷ কিন্তু মার্কিন যুত্তুরাষ্ট্রের অভিজাত লবি সেই বিলের তুমুল সমালোচনা করেছে৷ এরকম এক অবস্হায় যখন নিজেকে সম্বল করে হোমিওপ্যাথি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চেষ্টা করছে, তখন অ্যালোপ্যাথি লবি তাকে ধবংস করার চেষ্টা করছে! 1854 সালে লন্ডনে কলেরার মহামারী দেখা দিয়েছিল৷ তখন অ্যালোপ্যাথি ব্যবহারকারী রোগিদের মৃত্যুর হার ছিল 53.2 শতাংশ, অথচ হোমিওপ্যাথি ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে ওই হার ছিল মাত্র 24.4 শতাংশ! 1892 সালে জার্নির হামবুর্গে যে মহামারি দেখা দিয়েছিল, সেক্ষেত্রেও সমান পারদর্শিতার প্রমাণ রাখে হোমিওপ্যাথি ৷ 1962-64 সালে নিউ ইয়র্কে মহামারী রোধের ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি কার্যকর ভূমিকা নিয়েছিল৷ আর 1918 সালে গোটা বিশ্বে ইনফ্লুয়েঞ্জার মহামারী প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথির ভূমিকা কে ভুলতে পারে?
জটিল এবং দুরারোগ্য রোগে ভুগতে থাকা রোগিদের জীবনে সত্যিকারের ত্রাতার ভূমিকা নিতে পারে হোমিওপ্যাথি ৷ এর কল্যাণে বহু মানুষ নতুনভাবে নিজেদের জীবন শুরু করতে পেরেছে৷ চর্মরোগ, যৌনরোগ, বাত, ক্যানসার, টিউমার, পেটের রোগ এবং শিশু ও মায়েদের বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি খুবই কার্যকর ৷ যথেষ্ট ভরসাযোগ্য ফলাফল দেখানো সত্ত্বেও অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসক এবং বিশেষজ্ঞরা হোমিওপ্যাথিকে উপযুক্ত সম্মান দিতে নারাজ ৷ কারণ, অ্যালোপ্যাথি লবি যথেষ্ট অনিশ্চয়তায় ভুগছে৷ তাদের আশঙ্কা, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ভুগতে থাকা অ্যালোপ্যাথিক রোগিরা যদি হোমিওপ্যাথির দিকে পা বাড়ায়, তাহলে তাদের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে৷
সবাই জানে যে, সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্হার সামনে সমস্যা ও চ্যালেঞ্জগুলো ক্রমশ বাড়ছে৷ পাশাপাশি প্লেগ, সার্স, ম্যালেরিয়া, টিবি, ডায়োরিয়া ও ফ্লুর মতো রোগগুলোর ক্ষেত্রে অ্যালোপ্যাথি ব্যর্থ হচেছ ৷ ম্যালেরিয়া এখন যথেষ্ট মারাত্মক, টিবির ওষুধ তো কাজই করে না, আর ফ্লু-র ভাইরাসকে মারার ক্ষমতা হারিয়েছে তার ওষুধগুলো৷ মানুষের পক্ষে আর অ্যান্টিবায়োটিক নেওয়া সম্ভব হচেছ না৷ এমতাবস্হায় খুবই উপযোগী বিকল্প চিকিৎসার ভূমিকা নিতে পারে হোমিওপ্যাথি৷ তা সত্ত্বেও সরকারি স্বাস্হ্য ব্যবস্হার পরিচালনা এবং পরিকল্পনার সময় এখনও হোমিওপ্যাথিকে সেভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচেছ না ৷ বিভিন্ন মারাত্মক রোগ ও মহামারী প্রতিরোধের জন্য হোমিওপ্যাথিতে অনেক ধরনের ওষুধ আছে৷ তাই এই চিকিৎসা ব্যবস্হাকে স্বাগত জানানোর সময় এসে গেছে ৷ সম্প্রতি কলকাতার সুকল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনের সাহায্যকে সম্বল করে জাপানিজ এনসেফেলাইটিসের নতুন ওষুধ আবিষ্কার করেছে সেন্টাল সুকল অফ হোমিওপ্যাথিক রিসার্চ কাউন্সিল ৷ আমেরিকার জার্ল অফ ইনফেক্সাস ডিজিজেস-এ তা প্রকাশিতও হয়েছিল৷

এখন প্রশ্ন হল–অ্যালোপ্যাথিক লবি কি আদৌ তাদের স্বার্থপর প্রচার বন্ধ করবে ? তাদের বোঝা উচিত, হোমিওপ্যাথি মোটেও অ্যালোপ্যাথি বা কোনও ওষুধ কোম্পানির বিরুদ্ধে লড়ছে না, এর লড়াই বিভিন্ন দুরারোগ্য রোগের বিরুদ্ধে ৷ আজকের এই ব্যয়বহুল চিকিৎসার জগতে দু-ধরনের চিকিৎসা ব্যবস্হাই পাশাপাশি থাকতে পারে৷ তাতে শুধু চিকিৎসা শিল্পের নয়, গোটা দেশেরই উপকার৷ মানবকল্যাণের কথা মাথায় রেখে হোমিওপ্যাথিকে স্বাগত জানানো উচিত৷

অ্যালোপ্যাথি এবং হোমিওপ্যাথির মধ্যে কেন এত বৈরীতা ? ডাক্তার আবুল হাসান 5 of 5
আগেই বলে রাখছি লেখাটি আমার নয়। শুরুতেই এটা বলার কারণ হলো লেখাটি পড়ে অনেকই হয়ত আমার গুষ্ঠি শুদ্ধ উদ্ধার করতে কার্পন্য করবেন না। "হোমি...

সকল আপডেট পেতে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন আমাদের সাথে।

ডাক্তার আবুল হাসান (ডিএইচএমএস - বিএইচএমসি, ঢাকা)

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ, ঢাকা

যৌন ও স্ত্রীরোগ, চর্মরোগ, কিডনি রোগ, হেপাটাইটিস, লিভার ক্যান্সার, লিভার সিরোসিস, পাইলস, IBS, পুরাতন আমাশয়সহ সকল ক্রনিক রোগে হোমিও চিকিৎসা নিন।

১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪, বাংলাদেশ
ফোন :- ০১৭২৭-৩৮২৬৭১ এবং ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫
ইমেইল:adhunikhomeopathy@gmail.com
স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য যেকোন সময় নির্দিধায় এবং নিঃসংকোচে যোগাযোগ করুন।

পুরুষদের যৌন সমস্যার কার্যকর চিকিৎসা

  • শুক্রতারল্য এবং অকাল বা দ্রুত বীর্যপাত
  • প্রস্রাবের সাথে ধাতু ক্ষয়, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া
  • পায়খানার সময় কুন্থনে বীর্যপাত
  • পুরুষাঙ্গ দুর্বল বা নিস্তেজ এবং বিবাহভীতি
  • রতিশক্তির দুর্বলতা এবং দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা
  • বিবাহপূর্ব হস্তমৈথন ও এর কুফল
  • অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ সমস্যা
  • বিবাহিত পুরুষদের যৌন শিথিলতা
  • অতিরিক্ত শুক্রক্ষয় হেতু ধ্বজভঙ্গ
  • উত্তেজনা কালে লিঙ্গের শৈথিল্য
  • সহবাসকালে লিঙ্গ শক্ত হয় না
  • স্ত্রী সহবাসে পুরুপুরি অক্ষম

স্ত্রীরোগ সমূহের কার্যকর হোমিও চিকিৎসা

  • নারীদের ওভারিয়ান ক্যান্সার
  • জরায়ুর ইনফেকশন ও ক্যান্সার
  • নারীদের জরায়ুর এবং ওভারিয়ান সিস্ট
  • ফলিকুলার সিস্ট, করপাস লুটিয়াম সিস্ট
  • থেকা লুটেন, ডারময়েড, চকলেট সিস্ট
  • এন্ডোমেট্রোয়েড, হেমোরেজিক সিস্ট
  • পলিসিস্টিক ওভারি, সিস্ট এডিনোমা
  • সাদাস্রাব, প্রদর স্রাব, বন্ধ্যাত্ব
  • ফ্যালোপিয়ান টিউব ব্লক
  • জরায়ু নিচের দিকে নামা
  • নারীদের অনিয়মিত মাসিক
  • ব্রেস্ট টিউমার, ব্রেস্ট ক্যান্সার