যৌন ও স্ত্রীরোগ, চর্মরোগ, কিডনি রোগ, হেপাটাইটিস, লিভার ক্যান্সার, লিভার সিরোসিস, পাইলস, IBS, পুরাতন আমাশয়সহ সকল ক্রনিক রোগে হোমিও চিকিৎসা নিন। ডাঃ আবুল হাসান, পপুলার হোমিও হল, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা। ফোন করুন:- ০১৭২৭-৩৮২৬৭১

সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০১৪

প্রথম যৌন মিলনে কি স্ত্রীর রক্তক্ষরন হতে পারে ??

আসুন এই বিষয়টা ভালোভাবে জানি। তাতে হয়ত আপনাদের অনেকেরই কিছু ভুল ধারণার বিলুপ্তি ঘটবে আজ। একজন মেয়ের যৌনাঙ্গে স্বতিচ্ছদ নামের পর্দা তার নয়/দশ বছর বয়সে সাঁতার কাটা কিংবা খেলাধুলা বা অন্য কোন ভারী কাজ করার সময় আপনা থেকেই ফেটে যেতে পারে। তাই রক্ত বের হবার সাথে একজন নারীর স্বতিত্ব জড়িত নয়। সব সময় প্রথম মিলনে রক্ত বের হয় না। আবার অনেকে মনে করেন প্রথমদিন স্ত্রী মিলনকালে কান্নাকাটি - চিল্লা-পাল্লা না করার মানেই হলো সে আগে অন্যের সাথে শাররীক সম্পর্ক ছিলো ইত্যাদি ইত্যাদি..)
আপনি হয়তো জানেন না যে,  সৃষ্টিকর্তা নারীর যৌনাঙ্গকে এমনভাবে সৃষ্টি করেছেন "যেন এটি যেকোন আকারের লিঙ্গকে গ্রহন করতে পারে"। একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারীমোটা/চিকন/­ লম্বা/খাটো সব লিঙ্গের চাপ সইতে পারেন। যদি মিলনের পুর্বে নারী ঠিক মত উত্তেজিত হয় তাহলে যোনীতে যে পিচ্ছিল রস নিঃসরন হয় তা মুলতঃ ব্যথামুক্ত মিলনের জন্যই হয়ে থাকে। যেখানে সৃষ্টিকর্তা নারীকে ব্যথামুক্ত মিলনের জন্য এমন সৃষ্টি রহস্য জুড়ে দিয়েছেন সেখানে আপনি কেন চাইবেন যে মানুষটি সম্পুর্ন জীবন কাটানোর জন্য আপনার ঘরে এসেছে – তার শুরুটা হউক কষ্টকর অভিজ্ঞতা দিয়ে ? অনেক নারীই মিলনে ব্যথা অনুভব করেন। এমনকি বিয়ের ১০/১৫ বছর পরও। তবে সবাই চিৎকার চেচামেচী করেন না। নিরব থাকার মানে এটা নয় যে নারী আগে থেকে যৌনকাজে অভ্যস্থ। তবে অনেক নারী চালাকি করে প্রথমদিকে এমন ভাব করেন যেন তিনি সইতে পারছেন না!

তাই ব্যথা পাওয়া না পাওয়ায় নারীর সতিত্ব প্রমান হয়না। আরো মজার ব্যপার হলো নারীর যোনী ৪৫ ডিগ্রি কৌনিক অবস্থায় থাকে এবং উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষের লিঙ্গও ৪৫ ডিগ্রিতে উর্দ্ধমুখী উত্থান হয়। ফলে অনায়াসে মিলনকাজ সম্পর্ন করা যায়। এ নিখুত সৃষ্টি রহস্য বিধাতাই আমাদের শরীরে রেখেছেন।

সবাছে জরুরী যে বিষয় সেটি হল স্বামী- স্ত্রীর সম্পর্কে দুই জিনিস থাকলে সংসার টিকবে না – টিকলেও অশান্তির বাসা হবে।
  • অহংকার :- যদি বউ মনে করে আমি তার চেয়ে বেশি যোগ্য – কিংবা স্বামী মনে করে সে আমার তুলনায় নিন্ম তাহলেই হলো। এসব কারনেই দেখবেন আমাদের দেশের অধিকাংশ গায়িকা-নায়ক-নায়িকাদের বিয়ে বেশি দিন টিকেনা।
  • অবিশ্বাস :- অবিশ্বাস আর ভালবাসা একত্রে বসত করে না। আমাদের দেশে অনেক মেয়ে বিয়ের সময় মুখে কবুলও বলেনা। আর কাগজে রেজিষ্ট্রি সমাজকে দেখানোর জন্য। বিয়ে মুলত হয় মন আর মনের।
যে পৃরুষ বিয়ের দিনেই বউকে সামান্য ভুল ধারনার কারনে অবিশ্বাস করতে শুরু করে তার ভবিষ্যত কতটা অসুখের তা আপনারাই চিন্তা করুন! তাই যাকে নিয়ে আপনার সারা জীবন পথ চলতে হবে অজ্ঞতা বশত তাকে যদি সন্দেহ করা শুরু করি তবে বিয়ে করার কি দরকার ? বিষয় গুলো ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করুন। ধন্যবাদ।