কেন হয় ?
এই রোগের নির্দিষ্ট কারণ সবসময় জানা যায় না, তবে সাধারণত নিচের কিছু কারণে হতে পারে: আঘাত বা ক্ষত: যৌ’নমি’লনের সময় অতিরিক্ত চাপ বা আঘাত লাগলে লি’ঙ্গের ভেতরে দাগ তৈরি হতে পারে।বংশগত কারণ:
পরিবারের কারও যদি আগে এই সমস্যা থেকে থাকে, তাহলে পরবর্তী প্রজন্মেও ঝুঁকি থেকে যায়। শরীর নিজের টিস্যুর বিরুদ্ধে কাজ করলে এমন অবস্থা হতে পারে। অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস: ধূমপান, অ্যাল’কো’হল, মানসিক চাপ ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনও ভূমিকা রাখে।এই রোগের লক্ষণসমূহ:
লি’ঙ্গ একদিকে বাঁকা হয়ে যাওয়া শক্ত গুটি বা দাগ অনুভব হওয়া উত্তেজনার সময় ব্যথা বা জ্বালা যৌ’নমি’লনে অস্বস্তি বা সমস্যা দেখা দেয়া লি‘ঙ্গ ছোট মনে হওয়া বা আকৃতি পরিবর্তন হওয়া লি’ঙ্গের চামড়া শক্ত বা টানটান অনুভব হওয়া ইরে’কশন বা লি’ঙ্গ উত্তেজনায় সমস্যা হওয়া যৌন ইচ্ছা কমে যাওয়া বা মানসিক অস্বস্তি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাঁকাভাব বা ব্যথা বাড়তে থাকা লি’ঙ্গে স্পর্শ করলে অস্বাভাবিক শক্ত ভাব বা টানটান অনুভূত হওয়াকেন আপিনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিবেন?
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা এই রোগের জন্য একটি প্রাকৃতিক ও নিরাপদ উপায়। এটি শরীরের ভেতর থেকে সমস্যা দূর করতে কাজ করে, কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। এই চিকিৎসায় রোগীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা বিবেচনা করে ওষুধ দেওয়া হয়, তাই প্রতিটি রোগীর চিকিৎসা আলাদা হয়।হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা:
শরীরের স্বাভাবিক নিরাময় ক্ষমতা বাড়ায়। টিস্যুর শক্তভাব ও দাগ ধীরে ধীরে কমায়। ব্যথা ও বাঁকাভাব কমিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সাহায্য করে। মানসিক উদ্বেগ ও আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি দূর করে। নিয়মিত চিকিৎসা নিলে রোগী সম্পূর্ণভাবে সুস্থ জীবনযাপনে ফিরতে পারেন।করণীয় কী?
যৌ’নমিলনের সময় সতর্ক থাকুন, অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করবেন না। ধূমপান ও ম’দ্যপান ত্যাগ করুন। স্বাস্থ্যকর খাবার ও পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন। মানসিক চাপ কমাতে নিয়মিত ব্যায়াম বা মেডিটেশন করুন। একজন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের পরামর্শে চিকিৎসা নিন।পেরোনিজ ডিজিজ ভয় পাওয়ার মতো কোনো রোগ নয়। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা নিলে এটি সম্পূর্ণ ভালো হয়। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা প্রাকৃতিকভাবে শরীরকে সুস্থ করে তোলে, কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। তাই এ ধরনের সমস্যা দেখা দিলে লজ্জা না পেয়ে একজন বিশেষজ্ঞ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন এবং সময়মতো চিকিৎসা শুরু করুন।