⭆যৌন ও স্ত্রীরোগের স্থায়ী, আধুনিক ও সফল হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা⭅
পুরুষদের যৌন দুর্বলতা, দ্রুত বীর্যপাত, পুরুষত্বহীনতা, ধ্বজভঙ্গ, অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ, স্পারম্যাটোরিয়া, হস্তমৈথুন অভ্যাস ও এর কুফল, লিঙ্গের অসারতা, সিফিলিস, গনোরিয়া ইত্যাদি, নারীদের জরায়ু সংক্রান্ত ব্যাধি, স্তন টিউমার/ক্যান্সার, বন্ধ্যাত্ব ও অন্যান্য স্ত্রীরোগসমূহের আধুনিক ও সফল হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা।
যোগাযোগ: ডাক্তার আবুল হাসান; ডি. এইচ. এম. এস (বি. এইচ. এম. সি),
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪,
ফোন :০১৭২৭-৩৮২৬৭১ ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫

নির্দেশনা

************   যারা ঢাকার বাহিরে থাকেন  ************
বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মধ্যপ্রাচ্যসহ সুদূর ইউরূপ এবং আমেরিকাতে ও আমাদের অনেক রোগী এবং শোভাকাংক্ষী রয়েছেন যারা ইমেইল এবং ফোনের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত আমাদের সাথে যোগাযোগ রেখে থাকেন। আমরা দেশ এবং দেশের বাহিরে অন্যান্য দেশসমূহে ঔষধ পাঠিয়ে আসছি বহুদিন যাবৎ। সুতরাং আপনি যদি ঢাকার বাহিরে অবস্থান করেন বা আমাদের চেম্বারে আসতে পারছেন না অথবা যদি দেশের বাহিরে থাকেন তাহলে ফোন বা skype এর মাধ্যমে আপনার সমস্যার বিস্তারিত আমাদের জানালে অবস্থার আলোকে আপনাকে আমরা যথাযথ চিকিত্সা দিয়ে আপনার ঠিকানায়  কুরিয়ার এর মাধ্যমে দরকারী ঔষধ সমূহ পাঠিয়ে দিব।
*****************     স্বাস্থ্য পরামর্শ    *****************
"সুস্থাবস্স্থায় শরীর অসুস্থ বোধ হলে গোসল করব কি ? করব না । খাব কি ? খাব না এইরূপ ইতস্তত হতে থাকলে। তার সমাধান হলো  ' না '। অর্থাৎ গোসল করব না, খাব না । "
বর্তমানে আমাদের শিক্ষিত সমাজে হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা শাস্ত্র সম্পর্কে সল্প জ্ঞান সম্পন্ন বহুলোক হোমিওপ্যাথিক ঔষধের প্রকৃত চিত্র ঋদয়মগম না করে তাদের পরিবারের সদস্যদের নানা প্রকার ঔষধ প্রদান করে থাকেন অথবা নিজেরা ব্যবহার করে থাকেন , কিন্ত প্রকৃত জ্ঞান না থাকায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সুফল পান না। হোমিওপ্যাথিক ঔষধের শক্তি পরিবর্তন করে কোন প্রকার ফল না পেয়ে অবশেষে হতাশ হয়ে নানা বিরূপ মন্তব্য করেতে থাকেন। অথচ যথাযথ জ্ঞান আহরণ করে হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা প্রদান করলে সমস্যা যত কঠিন ও পুরাতনই হোক না কেন এর সমাধান সম্ভব।
হোমিও ঔষধ ব্যবহারের কিছু শর্তাবলী:
  • যেকোন হোমিওপ্যাথিক ঔষধ খাদ্য গ্রহণের আধ ঘন্টা আগে বা পরে ( অর্থাৎ খালি পেটে ) একটি কাপের ১/৪ ভাগ পরিমাণ পানির সাথে মিশিয়ে গ্রহণ করবেন। 
  • আপনার যদি একাধিক ঔষধ ব্যবহার করার দরকার হয় তাহলে একটি গ্রহনের অন্তত ৫মিনিট পর আরেকটি গ্রহণ করবেন। যদিও বর্তমানে বিশ্বের বড় বড় হোমিওপ্যাথরা একই সাথে গ্রুপ ম্যাচিং করে ২-৩ টা ঔষধ গ্রহণ করার পরামর্শ দেয়। এক্ষেত্রে ভিন্ন কথা। আপনি যদি একজন হোমিওপ্যাথ হন এবং হোমিওপ্যাথির নিগুড় তত্ত্ব এখনো আত্মস্থ করতে না পারেন তাহলে ঔষধ ২-৩ টা একই সাথে মেশানোর চেষ্টা করবেন না। তখন হয়ত ঔষধের সব গুনাগুন নষ্ট হয়ে যেতে পারে। 
  • হোমিও ঔষধের সাথে যেকোন ঔষধ (অ্যালোপ্যাথি, হার্বাল, আয়ুর্বেদ) ব্যবহার করতে পারবেন। সময় ব্যবধান অন্তত ২০ মিনিট হলে ভাল হয়। 
  • কিন্তু কোন ক্রমেই হোমিওপ্যাথিক ঔষধ গ্রহনের সময় কোন প্রকার অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ ব্যবহার করতে পারবেন না। তাহলে এটি আপনার হোমিও ঔষধের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দিবে।
  • হোমিওপ্যাথিক ঔষধ গ্রহণের সাথে সাথেই চা, কফি, কোমল পানীয়, পেয়াজ ইত্যাদি গ্রহণ করবেন না। 
  • সামান্য পানির সাথে মিশিয়ে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ গ্রহণ করলে এর কার্যকারিতা গতিশীল হয়। 
  • মনে রাখবেন হোমিওপ্যাথিই পৃথিবীতে একমাত্র চিকিৎসা প্রক্রিয়া যেটি যেকোন রোগকে তার মূল থেকে নির্মূল করতে সক্ষম। যদি কোন হোমিওপ্যাথ ঔষধ প্রযোগ করে ফলাফল না পেয়ে থাকেন বুঝবেন ঔষধ নির্বাচনে ভূল ছিল।
হোমিওপ্যাথি ঔষধ খেয়ে রোগ বেড়ে গেলে কি করবেন? 
ঔষধ খাওয়ার পরে রোগ বেড়ে গেলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, কেননা ইহা একটি শুভ লক্ষণ। ঔষধ খাওয়ার পরে রোগ বৃদ্ধি পাওয়ার অর্থ হলো ঔষধের নির্বাচন সঠিক হয়েছে, রোগের শক্তির চাইতে ঔষধের শক্তি একটু বেশী হয়েছে আর এই কারণে আপনার রোগ নিশ্চিতভাবে সেরে যাবে। যারা খুব সেনসিটিভ রোগী তাদের ক্ষেত্রে মাঝে মধ্যে ঔষধ খাওয়ার পরে অল্প সময়ের জন্য রোগের লক্ষণ বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়। বিভিন্ন কারণে ঔষধ খাওয়ার পরে রোগ বেড়ে যেতে পারে। সবচেয়ে পরিচিত কারণ হলো:- ঔষধের শক্তি দরকারের চাইতে বেশী হলে কিংবা ঔষধের পরিমাণ দরকারের চাইতে বেশী হলে।  

কারণ যাই হোক, হোমিওপ্যাথি ঔষধ খেয়ে রোগ বেড়ে গেলে সাথে সাথে ঔষধ খাওয়া বন্ধ করে দিন। অল্প সময়ের মধ্যে রোগের তীব্রতা কমতে শুরু করবে। হ্যাঁ, ঔষধের কারণে রোগ বেড়ে গেলেও তাতে রোগীর কষ্ট তেমন একটা বাড়ে না কিংবা বলা যায় তাতে রোগীর কোন ক্ষতি হয় না।
********   আধুনিক হোমিওপ্যাথি    *********
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪
 ফোন: ০১৭২৭-৩৮২৬৭১, ০১৯২২-৪৩৭৪৩৫